সরকার বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক সমাজ গড়ে তুলতে চায়: তথ্যমন্ত্রী

John Smith | আপডেট: ১২ এপ্রিল ২০২৬, ৯:৪৩ সকাল

রাজধানীর মাদার তেরেজা ভবনে গৌরনদী ও আগৈলঝাড়া উপজেলার খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। ১১ এপ্রিল ছবি : বাসস

ধর্ম, বর্ণ বা লিঙ্গ পরিচয়ে নাগরিকদের মধ্যে সরকার কোনো ধরনের বিভাজন করতে দেবে না বলে উল্লেখ করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেছেন, ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার—এই মূলনীতির আলোকেই বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার একটি বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক সমাজ গড়ে তুলতে চায়।

আজ শনিবার বিকেলে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে হলি রোজারী চার্চ ক্যাম্পাসের মাদার তেরেসা ভবনে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী এ কথাগুলো বলেন।

ঢাকাস্থ গৌরনদী ও আগৈলঝাড়া উপজেলার খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে ‘গৌরনদী খ্রিষ্টান কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লিমিটেড’ এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, অতীতে যারা ধর্মের নামে বা বিশেষ কোনো গোষ্ঠীর নামে রাষ্ট্র ও সমাজ দখল করতে চেয়েছে, তাদের দ্বারা গণতন্ত্রচর্চা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, ‘পৃথিবীর যেখানেই ধর্মের নামে শাসন প্রতিষ্ঠার চেষ্টা হয়েছে, সেখানেই গণতন্ত্র বাধাগ্রস্ত হয়েছে। আমাদের নেতা তারেক রহমান ঘোষিত নির্বাচনী ইশতেহারে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, রাষ্ট্র কোনো নির্দিষ্ট ধর্মের ভিত্তিতে নাগরিকদের অধিকারের তারতম্য করবে না।’

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘কে হিন্দু, কে মুসলিম, কে খ্রিষ্টান বা কে পাহাড়ি—এই পরিচয়ে কাউকে ছোট বা বড় হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। রাষ্ট্রের প্রত্যেক নাগরিকের মৌলিক অধিকার সমান এবং আমাদের সরকার সেই অধিকার সুরক্ষা ও বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

নিজ নির্বাচনী এলাকার বৈচিত্র্যের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, গৌরনদী ও আগৈলঝাড়া এলাকায় হিন্দু, মুসলিম ও খ্রিষ্টান সম্প্রদায় দীর্ঘকাল ধরে অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে বসবাস করছে। মাঝেমধ্যে স্বার্থান্বেষী মহল বিভাজন তৈরির অপচেষ্টা চালালেও সজাগ জনগণের কারণে তারা সফল হয়নি। তিনি আরও বলেন, যারা মুখে ধর্মনিরপেক্ষতার কথা বলে পর্দার আড়ালে ভিন্ন রাজনীতি করে, জনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে।

সংবর্ধনা সভার আহ্বায়ক সিলভাস্টার সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন তেজগাঁও খ্রিষ্টান অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি স্বপন হালদার, সংগঠক ফ্রান্সিস ঢাকি, সাবেক ছাত্রনেতা মহিউদ্দিন বাদশা, আগৈলঝাড়া উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক এ্যাসেন্ট রায় প্রমুখ।

Your experience on this site will be improved by allowing cookies.